রিয়াদ রশিদ কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার মাঝিরকোনা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। পরিবারের স্বপ্ন পূরণে বিদেশে গেলেও শেষ পর্যন্ত তিনি যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতার শিকার হন। একই হামলায় তার বন্ধু গুরুতর আহত হয়ে একটি পা হারিয়েছেন। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, অস্থিতিশীল অঞ্চলে কাজের সুযোগ যত আকর্ষণীয়ই হোক না কেন, সেখানে জীবনের নিরাপত্তা সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক সংঘাতের সময়ে যুদ্ধপ্রবণ দেশে কর্মসংস্থানের আগে পূর্ণ তথ্য যাচাই এবং সরকারি তদারকি অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় দালালচক্র বা ভুল তথ্যের কারণে সাধারণ তরুণেরা বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে শুধু একটি জীবন নয়, পুরো একটি পরিবার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।
প্রবাসজীবন অনেকের জন্য স্বপ্নের হলেও যুদ্ধক্ষেত্র কখনো নিরাপদ নয়। তাই বিদেশে যাওয়ার আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতি, কাজের ধরন এবং বৈধ প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোরও সচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা জরুরি।
রিয়াদের মৃত্যু শুধু একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, এটি পুরো সমাজের জন্য একটি সতর্কবার্তা। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো বাংলাদেশি পরিবার এভাবে স্বপ্ন হারিয়ে না ফেলে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
