আন্তর্জাতিকJun 21, 20264 min read

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতিতে ৬ বিলিয়ন ডলার ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্কআন্তর্জাতিক|আন্তর্জাতিক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার জব্দকৃত ৬ বিলিয়ন ডলার ইরানি সম্পদ মানবিক কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে, যা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত চুক্তি আলোচনায় উৎসাহ দিতে পারে। তবে ইরান এখনো সম্মতি দেয়নি।

শেয়ার করুন:
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতিতে ৬ বিলিয়ন ডলার ঝুঁকি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার ইরানকে একটি সম্ভাব্য বিস্তৃত চুক্তিতে আনতে নতুন একটি মানবিক অর্থনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনার আওতায় বর্তমানে কাতারে জব্দ অবস্থায় থাকা প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ইরানি সম্পদ মানবিক ব্যয়ের জন্য ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হতে পারে, যার মধ্যে খাদ্য, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি মানবিক পণ্য কেনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ইরানকে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ সমঝোতায় পৌঁছাতে উৎসাহিত করা এবং দীর্ঘস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে একটি আস্থার পরিবেশ তৈরি করা। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, এই অর্থ ব্যবহারের প্রক্রিয়া পরবর্তীতে আরও জব্দকৃত ইরানি সম্পদের ক্ষেত্রে শিথিলতা বা বিশেষ অনুমতির জন্য একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত ইরান সরকার এই পরিকল্পনার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি দেয়নি। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে ১৪ জুন দুই দেশ একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার কাজ সম্পন্ন করেছে এবং ১৮ জুন রাতে দূরবর্তীভাবে সেটিতে স্বাক্ষর করেছে বলে দাবি করা হয়, যা ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সামরিক উত্তেজনার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির পথ তৈরি করে। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুই দেশকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের মানবিক তহবিল ব্যবহার এবং কূটনৈতিক কাঠামো মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা কমানোর একটি সম্ভাব্য পথ তৈরি করতে পারে, তবে বাস্তব অগ্রগতি নির্ভর করবে উভয় পক্ষের রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং পারস্পরিক আস্থার ওপর। স্পুটনিকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই প্রক্রিয়া সফল হলে তা শুধু ইরান-মার্কিন সম্পর্কেই নয় বরং পুরো আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থাতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সম্পর্কিত খবর

ইউক্রেন ল্যাব নিয়ে জৈব অস্ত্র অভিযোগে তীব্র বিতর্ক

ইউক্রেনের মার্কিন অর্থায়িত ল্যাবগুলো নিয়ে সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা জৈব অস্ত্র গবেষণার অভিযোগ করেছেন। দাবি অনুযায়ী রাশিয়ার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য জৈবিক লক্ষ্যবস্তু তৈরির ইঙ্গিত রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার অস্ত্র রপ্তানি বিশ্ব শক্তির ভারসাম্য বদলাচ্ছে

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে দক্ষিণ কোরিয়া অস্ত্র রপ্তানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিশ্বে নবম স্থানে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় বাজারে এর প্রভাব বাড়ছে।

হরমুজ নির্ভরতা কমাতে আমিরাতের কৌশলগত পদক্ষেপ

সংযুক্ত আরব আমিরাত হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা শূন্যে নামাতে বন্দর, পাইপলাইন ও রেল অবকাঠামো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে কৌশলগত প্রভাব ফেলতে পারে।