যশোরের কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে গত বুধবার (১ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের মাইক থেকে গ্রামবাসীদের উস্কানি দিয়ে স্থানীয়রা তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর হোসেনকে ছিনিয়ে নিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, জাহাঙ্গীর হোসেন দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং ওয়ারেন্টভুক্ত ছিলেন। বুধবার রাতে পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করতে গেলে তার ভাই আলামিন ও লিটন মসজিদের মাইক থেকে ঘোষণা করে পুলিশকে গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষে নামতে উসকানি দেন। তারা প্রচার করেন, পুলিশ তার ভাইকে গ্রেফতার করে হত্যা করেছে।
এরপর প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন গ্রামবাসী পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম করার পর জাহাঙ্গীরকে ছিনিয়ে নেয়। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)।
পুলিশ জানিয়েছে, জাহাঙ্গীর হোসেন মাদকের মামলায় দুই বছর ও একটি পারিবারিক মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন। এ ঘটনায় কেশবপুর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
পুলিশের বিশেষ অভিযানে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে ডুমুরিয়ার একটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, "গ্রামবাসীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
