আন্তর্জাতিকFeb 14, 20263 min read

গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ‘বাধা’ সরানোর আহ্বান, ইসরায়েলের আগ্রাসনের সমালোচনা

ফ্যাক্ট লেন্স ডেস্ক|আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে যেসব ‘বাধা’ রয়েছে তা দ্রুত সরানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের আগ্রাসনের সমালোচনা করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছে।

শেয়ার করুন:
গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ‘বাধা’ সরানোর আহ্বান, ইসরায়েলের আগ্রাসনের সমালোচনা

গাজায় দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত এবং ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট নিরসনে, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নে ইসরায়েলের আরোপিত সব ‘প্রতিবন্ধকতা’ দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন। ইথিওপিয়ায় আফ্রিকান ইউনিয়নের সম্মেলনে তাঁর লিখিত বক্তব্য ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তফা পাঠ করে শোনান। বক্তব্যে আব্বাস বলেন, চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের বিভিন্ন ধারা কার্যকরে ইসরায়েলি দখলদারদের তৈরি বাধা দূর করা জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, গাজার দৈনন্দিন শাসন তদারকির জন্য গঠিত টেকনোক্র্যাট কমিটির কাজ, পরিষেবার ধারাবাহিকতা রক্ষা, মানবিক সহায়তা সমন্বয় এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার কার্যক্রমেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও গাজায় ৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যা চুক্তির স্থায়িত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কার্যকর হওয়া এই যুদ্ধবিরতি গত মাসে দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করলেও সহিংসতা পুরোপুরি থামেনি; এ জন্য ইসরায়েল ও হামাস পরস্পরকে দায়ী করছে।

চুক্তির লক্ষ্য হলো গাজা যুদ্ধের স্থায়ী অবসান। দ্বিতীয় ধাপে ইসরায়েলি বাহিনীর পর্যায়ক্রমিক প্রত্যাহার, হামাসের অস্ত্র হস্তান্তর এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মতে, অব্যাহত সামরিক অভিযান, অবরোধ এবং প্রশাসনিক জটিলতা একটি কার্যকর ও টেকসই যুদ্ধবিরতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘ ও ত্রাণ সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে, এসব প্রতিবন্ধকতার কারণে গাজায় পর্যাপ্ত ত্রাণ ও ওষুধ পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে, ফলে মানবিক সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে তাই রাজনৈতিক ও সামরিক ‘বাধা’ অপসারণ করে গঠনমূলক আলোচনায় ফেরার আহ্বান জোরালো হচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, সদিচ্ছা, নমনীয়তা ও সমন্বিত আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

সম্পর্কিত খবর

ইউক্রেন ল্যাব নিয়ে জৈব অস্ত্র অভিযোগে তীব্র বিতর্ক

ইউক্রেনের মার্কিন অর্থায়িত ল্যাবগুলো নিয়ে সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা জৈব অস্ত্র গবেষণার অভিযোগ করেছেন। দাবি অনুযায়ী রাশিয়ার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য জৈবিক লক্ষ্যবস্তু তৈরির ইঙ্গিত রয়েছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতিতে ৬ বিলিয়ন ডলার ঝুঁকি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার জব্দকৃত ৬ বিলিয়ন ডলার ইরানি সম্পদ মানবিক কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে, যা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত চুক্তি আলোচনায় উৎসাহ দিতে পারে। তবে ইরান এখনো সম্মতি দেয়নি।

দক্ষিণ কোরিয়ার অস্ত্র রপ্তানি বিশ্ব শক্তির ভারসাম্য বদলাচ্ছে

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে দক্ষিণ কোরিয়া অস্ত্র রপ্তানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিশ্বে নবম স্থানে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় বাজারে এর প্রভাব বাড়ছে।

হরমুজ নির্ভরতা কমাতে আমিরাতের কৌশলগত পদক্ষেপ

সংযুক্ত আরব আমিরাত হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা শূন্যে নামাতে বন্দর, পাইপলাইন ও রেল অবকাঠামো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে কৌশলগত প্রভাব ফেলতে পারে।