মধ্যপ্রাচ্যে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে আল-আকসা মসজিদ ও ঐতিহাসিক নবী সামুয়েল মসজিদকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির কারণে। অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবস্থিত নবী সামুয়েল মসজিদের আশপাশের প্রায় আটাশ একর ভূমি অধিগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি প্রশাসন। তাদের দাবি, প্রত্নতাত্ত্বিক সংরক্ষণ ও জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, জেরুজালেম প্রশাসন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এই ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করে বলছে, এটি মূলত ফিলিস্তিনি ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক পরিচয় ধীরে ধীরে মুছে ফেলার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা। বহু শতাব্দী ধরে মুসলিম ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে পরিচিত নবী সামুয়েল মসজিদকে ঘিরে ভূমি দখলের এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় জনগণের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদের প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তনের সম্ভাব্য পরিকল্পনার খবর পুরো মুসলিম বিশ্বে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, আল-আকসার ওপর জর্ডানের ঐতিহাসিক হাশেমি অভিভাবকত্ব দুর্বল করার বিষয়ে আলোচনা চলছে, যা দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক স্থিতাবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বলছে, জর্ডানের এই অভিভাবকত্ব শুধু একটি ঐতিহ্য নয়; বরং এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি আইনগত ও রাজনৈতিক কাঠামো, যা আল-আকসার ইসলামি ও আরব পরিচয় রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর চরিত্র পরিবর্তন, ভূমি অধিগ্রহণ এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ পুনর্বিন্যাসের এসব পদক্ষেপ শুধু ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতকে আরও জটিল করবে না, বরং সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ধর্মীয় উত্তেজনাও বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষ করে আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে যেকোনো পরিবর্তন মুসলিম বিশ্বের আবেগের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হওয়ায় এর আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াও ব্যাপক হতে পারে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতি শুধু একটি আঞ্চলিক বিরোধ নয়, বরং ধর্মীয় পরিচয়, ঐতিহাসিক অধিকার এবং ভবিষ্যৎ ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
আল-আকসা ও নবী সামুয়েল মসজিদ ঘিরে নতুন সংকট: ফিলিস্তিনি ঐতিহ্য মুছে ফেলার অভিযোগে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
আল-আকসা ও নবী সামুয়েল মসজিদ ঘিরে ইসরায়েলের নতুন পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ফিলিস্ত

সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেনের মার্কিন অর্থায়িত ল্যাবগুলো নিয়ে সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা জৈব অস্ত্র গবেষণার অভিযোগ করেছেন। দাবি অনুযায়ী রাশিয়ার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য জৈবিক লক্ষ্যবস্তু তৈরির ইঙ্গিত রয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার জব্দকৃত ৬ বিলিয়ন ডলার ইরানি সম্পদ মানবিক কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে, যা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত চুক্তি আলোচনায় উৎসাহ দিতে পারে। তবে ইরান এখনো সম্মতি দেয়নি।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে দক্ষিণ কোরিয়া অস্ত্র রপ্তানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিশ্বে নবম স্থানে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় বাজারে এর প্রভাব বাড়ছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা শূন্যে নামাতে বন্দর, পাইপলাইন ও রেল অবকাঠামো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে কৌশলগত প্রভাব ফেলতে পারে।