স্থানীয়Apr 23, 2026Newsroom

অভয়নগরে সার-কীটনাশকের দোকান থেকে ১ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

যশোর নিউজ ডেস্কনিউজ ডেস্ক|স্থানীয়

যশোরের অভয়নগরে সার ও কীটনাশকের দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অবৈধভাবে তেল মজুতের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানাও করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
অভয়নগরে সার-কীটনাশকের দোকান থেকে ১ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় সার ও কীটনাশকের একটি দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে অবৈধভাবে তেল মজুতের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) মধ্যরাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশীষ কুমার বসু।

জানা গেছে, উপজেলার সুন্দলী ইউনিয়নের সুন্দলী বাজার এলাকায় পুস্পল কবিরাজ নামে এক ব্যবসায়ীর সার ও কীটনাশকের দোকানে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দোকানের ভেতর থেকে প্রায় ৮০০ লিটার ডিজেল ও ২০০ লিটার পেট্রোলসহ মোট প্রায় ১ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যবসায়ী পুস্পল কবিরাজ সুন্দলী গ্রামের অমর কবিরাজের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তারা জানান, সার ও কীটনাশকের দোকানে কোনো বৈধ অনুমতি ছাড়া জ্বালানি তেল মজুত রাখা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার ও পেট্রোলিয়াম আইন অনুযায়ী ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং জব্দকৃত তেল সরকারি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

কোভিড উৎস বিতর্কে নতুন রাজনৈতিক বিস্ফোরণ

কোভিড–১৯ উৎস বিতর্কে নতুন করে আলোচনায় এসেছে উহান গবেষণাগার ও সম্ভাব্য মার্কিন অর্থায়ন। অভিযোগগুলো জনস্বাস্থ্য ও নীতিগত প্রশ্ন তুলছে।

গাজায় মানবিক বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপে

যুদ্ধ ও অবরোধের মধ্যে গাজায় খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সংকট তীব্র হয়েছে; বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষের জীবন আরও ঝুঁকিতে পড়েছে।

সীমান্তের কাছে নতুন সামরিক সমীকরণ?

ভারতের পূর্বাঞ্চলে ব্রাহ্মোস-সংশ্লিষ্ট সামরিক অবকাঠামো সম্প্রসারণের স্যাটেলাইট তথ্য নতুন আলোচনা তৈরি করেছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষণে গুরুত্ব পাচ্ছে।

ইরান চুক্তিতে ইসরায়েলের কৌশলগত ধাক্কা?

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পর ইসরায়েলে রাজনৈতিক বিতর্ক ও উদ্বেগ বেড়েছে। অনেক নাগরিক চুক্তিটিকে নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন।